সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দুর্গাপূর হাই স্কুলে এক শিক্ষকের নিয়োগের ব্যাপারে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নিবন্ধন সনদটি সঠিক নয় বলে আপত্তি তুলেছেন এলাকার মানুষ। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রাজ্জাক আহমদ।বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।অভিযোগকারীরা বলেছেন , এখানে সনদ জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক রাজ্জাকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছি।আপনার সাথে পরে কথা বলব।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি কানাইঘাটের অন্যতম প্রাচীন বিদ্যাপীঠ দুর্গাপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ রাজ্জাক আহমদ। উনার বাড়ি স্কুলের পাশের একটি গ্রামে। ঘুষের বিনিময়ে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কয়েক বছর আগে এই স্কুলে যোগদান করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি যে সময়ে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন, সেই সময়ে যে দল ক্ষমতায় ছিলো তিনি সেই দলের রাজনীতির(আওয়ামীলীগ) সাথে জড়িত, আর ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন চতুল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা মুবশ্বির আলী চাচাই।
এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধানের দায়িত্বে থাকা আলিম উদ্দিন বলেন, বিষয়টি এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্ট। উর্ধতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছেন।তদস্ত কমিটির রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে পারব না।দুর্গাপুর হাই স্কুল ও কলেজের এড-হক কমিটির সভাপতি কবির আহমদ একই কথা বলেন।তবে তিনি বলেন, জাল সনদের বিযয়টি সম্পর্কে কমিটির কাছে কোন অভিযোগ আসেনি।যেটি এসেছে এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্ট। কমিটি নিয়ে বসেছিলাম,সমাধান হয়নি।উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখছেন।তদন্ত কমিটির সদস্য কানাইঘাট সরকারী স্কুলের শিক্ষক হোসেন আহমদ বলেন,তদন্ত রিপোর্ট এখনো রেডি হয়নি।কাজ চলছে।